কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য  উপকারিতা ।কলা ও খেজুর একসঙ্গে খেলে স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরীসিম। আগের যুগে আরব দেশে ও বিভন্ন দেশে মানুষ পায়ে হেটে অনেক দূর যেতো তখন আরব দেশে খেজুর এর প্রচলন ছিল তখন মানুষ কয়েকটি খেজুর খেয়ে অনেক এনার্জি পেতো। আবার কলার মধ্যে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। কলা ও খেজুর উভয় উপকারি ফল, এদের উপকার ভিন্ন। 

আমরা সারা বছরের মধ্যে খেজুর খুব কম  খায় কিন্ত রমজান মাসে আমরা প্রচুর পরিমানে খেজুর খায় যা আমাদের অনেক শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। আমরা যেহেতু সারাদিন না খেয়ে থাকি কিন্ত এই খেজুর আমাদের অনেক স্বাস্থ্যর জন্য উপকারি। এবং প্রচুর শক্তি যোগায়,চলুন তাহলে আমরা এই পোষ্টি পড়ে কলা ও খেজুর এর উপকারিতা জানি।

সূচিপত্রঃকলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা,আপনার যেটা পছন্দ হয় আপনি এইখানে ক্লিক করতে পারেন।

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা,কলা ও খেজুর এমন একটি ফল যা খেলে আমাদের শরীর এ অনেক দূবলতা কেটে যায়।  তাই আমাদের  শরীর দূর্বল হলে খেজুর খাওয়া উচিৎ তেমনি কলা খাওয়া অনেক উপকারী যেমন কলাতে ভিটামিন সি, এবং ভিটামিন বি৬ আছে যা শরীরের জন্য অনেক গুরুত্তপূন্য। তাছাড়া কলাতে রয়েছে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ফাইবার,

অন্যদিকে খেজুরে রয়েছে অনেক ভিটামিন যেমন: এন্টিঅক্সিডেন্ট,ফাইবার, পটাসিয়াম, আয়রন, এবং খনিজ উপাদান। খেজুর খেলে আমাদের শরীরে গ্লোকোজ তৈরি হয় যার মাধ্যমে আমাদের শরীরে দূত শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। আর খেজুরে রয়েছ প্রচুর পরিমানে ফাইবার যার কারনে কোষ্ঠকাঠিন্য ভালো হয়। এবং খাবার হজম করতে সহায়তা করে থাকে। খেজুর ও কলা খেলে যেগুলো উপকার পাওয়া যায় তা নিম্নে দেওয়া হলো:

আরো পড়ুনঃশীতকালে ঠোঁট ফাটে কেন  জেনে  নিন

কলার খাওয়ার  উপকারিতা

শক্তি বৃদ্ধি করে: এতে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট  যা দূত শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। যা শরীর চর্চার আগে বা পরে একটি চমৎকার স্ন্যাক এর মতো হয়।  

হাটের উপকারিতা:

হাটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কলা উপকারি, এতে থাকা পটাসিয়াম, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন  করে এবং হার্টের কার্যকারিতা ভালো রাখে।

ওজন ঠিক রাখতে:

কলা আমাদের শরীরের ওজন কমাতে সাহায্য করে । কলা খেলে এটি দীর্ঘক্ষন পেটে থাকে তাই আমাদের খিদে কম লাগে এবং আমরা ঘনঘন খাই কম।  ঘনঘন না খেলে আমাদের শরীরের ওজন কম হয়।

 খেজুর খাওয়ার  উপকারিতা

দূত শক্তি যোগায়:

প্রাকৃতিক শর্করা থাকার  কারনে এটি আমাদের শরীরে দূত শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। শরীরচর্চার জন্য খুবই গুরুত্তপূন্য।

রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে:

খেজুরে আয়রন থাকার কারনে এটি শরীরের রক্ত সল্পতা দূর করে। এই জন্য আমাদের  শরীরের গঠন ঠিক থাকে  এবং রোগপতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

হাড়ের স্বাস্থ্য:

খেজুরে ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারনে  খেজুুর খেলে আমাদের হাড় ও দাত মজবুত থাকে।

হজম শক্তি বাড়াতে:

খেজুর আমাদের খাওয়ার পর হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আমাদের হজমশক্তি ঠিক থাকলে আমাদের শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা:

খেজুরের মধ্যে থাকা বিভিন্ন খনিজ উপাদান  আমাদের মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায়। মস্তিষ্ক ভালো থাকলে স্মৃতি শক্তি ভালো থাকে।

শরীরে শক্তি যোগাতে কলা ও খেজুর প্রয়োজনীয়তা

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা, আমাদের শরীরে শক্তি যোগাতে কলা ও খেজুরের জুড়ি নেই।কোন কাজ করতে করতে যখন আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে তখন আমাদের কলা ও খেজুর খাওয়া দরকার। ক্লান্ত শরীরে কলা খেজুর খেলে শরীর যেমন ক্লান্তি দূর হয় তেমনি শরীরে শক্তি আসে। শরীরে শক্তি আসলে আমরা আবার আরামে কাজ করতে পারবো।

প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ খেজুর খেয়ে আসছে খেজুরে প্রচুর পরিমানে আয়রন,ম্যাগনেসিয়াম, বিভিন্ন উপাদান থাকার কারনে শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে থাকে। বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমনে গেলে খেজুর অনায়েসে নিয়ে যাওয়া যায়। কারন খেজুর বহনে বেশি ভারি নেই তাই যেকোন জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। অল্প খেলে শরীরে বেশি পরিমান শক্তি পাওয়া যায়।

আরো পড়ুনঃশীতকালীন শাক সবজি উপকারিতা ও পুষ্টিগুণাগুন

ডাইবেটিস রোগীর জন্য উপকারি কলা ও খেজুর

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা, ডাইবেটিস রোগীদের জন্য কলা ও খেজুর পরিমান মত খেতে হবে।  বেশি খেলে ডাইবেটিস রোগীদের জন্য ক্ষতি হবে। কারন কলা ও খেজুরে প্রকৃতিকভাবে চিনি এবং কার্বহাইড্রেট  থাকে। তাই ডাইবেটিস রোগীদের জন্য পরিমানমত কলা ও খেজুর খাওয়া দরকার। এই জন্য পরিমান মতো খেলে ডাইবেটিস রোগীদের হার্ট কিডনি ভালো থাকে।  

সাধারনত একটি কলায় ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে যেটা আমাদের হজমে সাহায্য করে। এটি আবার রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রনে রাখে। আবার খেজুরে থাকে পটাসিয়াম, থাকার কারনে উচ্চ রক্তচাপ  নিয়ন্ত্রন রাখতে সাহায্য করে থাকে। এই জন্য খেজুর ডাইবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারি যা এদের রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রন করতে সাহায্য করে। আবার খেজুরে আয়রন থাকার কারনে রক্তশূন্যতা দূর হয়।

গর্ভবতী মায়েদের জন্য কলা খেজুরের এর উপকারিতা

গর্ভবতী মায়েদের জন্য কলা খেজুরের এর উপকারিতা অনেক । গর্ভাবস্থার সময় একজন নারীর জীবনে  খুবই গুরুত্তপূন্য সময়, এই সময় গর্ভবতী মায়ের খুুবই  যত্ন নেওয়া দরকার। এই জন্য মা ভালো থাকলে শিশু ভালো থাকবে । তাই এ সময় কলা ও খেজুর খাওয়ার এর গুরুত্ত অনেক,খেজুর ও কলাতে থাকা আয়রন ও পটাসিয়াস,ম্যাগনেসিয়াম, ইত্যাদি উপাদান থাকার কারনে শরীর  অনেকটা সুস্থ থাকে।

 গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকলে শিশুু ভালো থাকে এবং নরমাল ডেলিভারী হতে সাহায্য করে।নরমাল ডেলিভারী একজন মায়ের জন্য অনেক ভালো কারন সিজার হলে সারা জীবনের জন্য কষ্ট তাই গর্ভাবস্থায় খাওয়ার দিকে যত্ন নিতে হবে। গর্ভাবস্থার সময় খাওয়া দাওয়া ভালো থাকলে শিশুর স্বাস্থ্য ভালো থাকে।

হাড় ও দাঁতের জন্য কলা ও খেজুর এর গুরুত্ত

কলা ও খেজুর খাওয়ার কারনে শরীরের হাড় ও দাঁত মজবুত থাকে যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগপ্রতিরোগ ক্ষমতা বাড়ায়। হাড় ভালো থাকলে শরীরের  গঠন এবং শরীরের কাঠামো ভালো থাকে। আমাদের শরীর ভালো রাখতে হলে হাড় অবশ্যই মজবুত রাখতে হবে। অন্যদিকে দাঁত এর যত্ন নিতে হবে। দাঁত ভালো থাকলে যে কোন কিছু সহজে আমরা  খেতে পারি সবরকম শাক সবজি মাংস খেতে পারলে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

কলায় প্রচুর পরিমানে পটাসিয়াম থাকে যা শরীরের হাড়ের ক্যালসিয়াম  ধরে রাখতে সাহায্য করে। আবার খেজুর থাকা ক্যালসিয়াম হাড়ের  ঘনত্ব বাড়ায় এবং  দাঁত এর গঠনকে মজবুত করে। খেজুর খেলে বয়স্ক লোকদের হাড় মজবুত হয় এবং সহজে ভাঙ্গে না তাই আমাদের নিয়মিত খেজুর খেলে শরীর ও হাড়ের জন্য অনেক উপকারি।

ত্বক এবং চুলের জন্য কলা ও খেজুরের উপকারিতা

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি যা আমাদের চুল এবংত্বকের জন্য  অনেক উপকারি।কলা ও খেজুর হচ্ছে প্রকৃতিক ফল যা আমাদের ত্বক ও চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারি। কলা খেজুর আমাদের ত্বক উজ্জল করে এবং চুলকে করে মসৃন তাই আমাদের নিয়মিত খেচুর খাওয়া প্রয়োজন।

বিশেষ করে চুলের ক্ষেত্রে  চুল সুন্দর তো নারীর সৈাদর্য অনেক  গুন বৃৃদ্ধি পায় তাই নারীদের চুলের  সৈান্দর্য বড়াতে কলা ও খেজুর খাওয়ার তুলনা নাই। কলা খেজুর খেলে চুলের গোড়া মজবুত হয় এবংত্বক উজ্জল হয়। আমরা সাধারনত সারা বছর খেজুর খাই না কিন্ত কলা খাই। আমরা খেজুর খাই বেশি রমজান মাসে এই জন্য আমাদের সারা বছর কলা  খেজুর খাওয় দরকার।

আরো পড়ুনঃআখের রসের উপকারিতা ও অপকারিতা

শিশুর জন্য কলা ও খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা একটি শিশুর জন্য অত্যন্ত উপোযোগী। শিশুরা নিয়মিত কলা খেজুর খেলে তাদের মানসিক এবং দৈহিক বিকাশ ঘটে। মানুষের দৈহিক এবং মানুুসিক বিকাশ ঘটে শিশুুকালে তাই শিশুকাল থেকে সব রকমের ফলমুল খাওয়া দরকার বিশেষ করে কলা ও খেজুর এর গুনাগুন অপরীসিম। কারন কলা খেজুর  খেলে হাড় মজবুত হয়।

শিশুদের ৬ মাস বয়স  থেকে নিয়মিত কলা খেজুর খাওয়ালে শিশুদের হাড় মজবুত হয়। কলা খেজুর খেলে শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে যা শিশুদের দুর্বলতা থেকে রক্ষা করে।  শিশু বাচ্চাদের শিশু বয়সে হাড় খুবই নরম থাকে হঠাৎ কোথাও পড়ে গেলে  তাদের হাড় সহজে ভেঙ্গে যায়। শিশু বয়স থেকে কলা খেজুর খাওয়ানো প্রয়োজন। তাই কলা খেজুর পাশে রাখি শিশুর দূর্বলতা দূরে  রাখি।

বয়স্কদের কলা খেজুর খাওয়ার উপকারিতা

কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা বয়স্কদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। যেহেতু বয়স্বদের হাড় এবং দাঁত অত্যন্ত নরম হয়ে থাকে। তাই বিশেষ করে শিশুদের এবং বয়স্কদের জন্য কলা খেজুর খাওয়া দরকার। মানুষ যখন বয়স্ক হয় তখন তাদের শরীরের হাড় অনেক নরম হয়ে যায়, যা একটু কোথায় হঠাৎ পড়ে গেলে তাদের শরীরের হাড় ভেঙ্গে যায়। এই জন্য বয়স্কদের অবশ্যই নিয়মিত কলা ও খেজুর খাওয়া প্রয়োজন যাতে তাদের শরীরের হাড় সহজে না ভেঙ্গে যায়।

এমনিতে মানুষ বুড়ো হয়ে গেলে তাদের এক জনের সাহায্য নিয়ে হাটতে হয়। আবার শরীরের ব্যালেন্স ঠিকমত পায় না।এই জন্য এই সময় তাদের প্রয়োজন নিয়মিত কলা ও খেজুর খাওয়া যাতে তাদের শরীরের একটু শক্তি পায় নিজের শরীরের ব্যালেন্স সামলাতে পারে।তাহলে আমরা নিজের মা বাবাদের খেয়াল রাখবো যাতে তারা নিজের শরীর ঠিক রাখার জন্য কলা ও খেজুর খায়।

শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে

মানুষের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কলা ও খেজুর অতুলনীয় ভাবে কাজ করে থাকে।আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকলে আমাদের বিভিন্ন ধরনের অসুখ বিসুখ কম দেখা দিবে। তাই আমরা আমাদের দৈনিক কলা ও খেজুর খাবো তাহলে আমাদের শরীর সুস্থ্য রাখতে কলা ও খেজুর সহায়তা করবে।

শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি থাকলে আমাদের অসুখ বিসুখ কম হয়। বিধায় আমরা নিয়মিত সুস্থ্য থাকতে পারি। আমাদের  যকৃৃতের সংক্রমণে খেজুর অকেন উপকারী। তাছাড়া গলা ব্যাথা,জ্বর,সর্দি,কাশি,ঠান্ডা লাগা,এইগুলো প্রতিরোধে অপরীসিম উপকারে আসে।খেজুর অ্যালকোহল জাতীয় বিষ ক্রিয়ায় বেশ কাজ করে থাকে। তাই আমাদের নিয়মিত কলাও খেজুর খাওয়া উচিৎ। 



স্নায়ু তন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়

কলা এবং খেজুরে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন থাকায়  এটি আমাদের মস্তিস্কের  কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। আমাদের মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা ভালো থাকলে আমাদের মন ভালো থাকবে।আর মন ভালো থাকলে শরীর ভালো থাকবে। তাই খেজুর ও কলা খাওয়া আমাদের প্রয়োজন।এতে আমাদের স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে।

শেষ কথাঃকলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা,

আমরা কলা ও খেজুর খাওার  উপকারিতা  বিস্তারিত জানতে পারলাম, এই জন্য আমাদের সব বয়সে কলা খেজুর খাওয়া প্রয়োজন আছে। আমরা সারা বছরের মধ্যে রমজান মাসে বেশি খেজুর খেয়ে থাকি যা বছরের কোন মাসে খাওয়া হয় না। আগের যুগে মানুষ মরুভূমি এলাকায় বেশির ভাগ সময় খজুর খেত আর এইটাতে শরীরের অনেক পুষ্টি যোগাতো।শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হতো।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন আপনাদের সেবাই আমি নিয়জিত ইন্সাআল্লাহ্ সমস্ত সহযোগীতা পাবেন।








 







এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

'https://www.ekralife.com/p/terms.html'

comment url
Md. Golam Rasul
Md. Golam Rasul
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ব্লগ নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ইকরালাইফ হলো একটি তথ্যসমৃদ্ধ ব্লগ যেখানে অনলাইন ইনকাম,লাইফস্টাইল,তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পকির্ত নির্ভরযোগ্য কনটেন্ট শেয়ার করা হয়।পড়াশুনা অনার্স,মাস্টার্র,(ব্যবস্থাপনা বিভাগ),রাজশাহী কলেজ,রাজশাহী।