আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে ইনকাম সর্স ভালো হলে তাড়া তাড়ি বিয়ে করা ভালো। কার বিয়ে কার সাথে হবে তা একমাত্র আল্লাহ জানেন। তবে কার বিয়ে হবে এইটা নিজের একটা সিদ্ধান্ত থাকা দরকার এবং নিজে তৈরি হওয়া প্রয়োজন। আপনার বিয়ে কবে হবে তা আমরা বলতে পারবো টিপস্ দিয়ে তবে কার সাথে কার বিয়ে হবে এবং কবে হবে তা এক মাত্র আল্লাহ জানেন। কারন রিজিকের মালিক এক মাত্র আল্লাহ তিনিই জানেন যে কার রিজিক কখন এবং কোথায় আছে। তবে হাদিস ও কোরআন অনুযায়ী কিছু আমল আছে যা করলে ইন্সাআল্লাহ আপনার বিয়ে অবশ্যই হবে খুবই তাড়াতাড়ি।
বিয়ে করার জন্য একটা নিদিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে। আমরা এখানে কার বিয়ে কবে এবং কখন হতে পারে তার বিভিন্ন আমল এবং টিপস্ জানতে পারবেন যদি আপনি ধৈর্য ধরে পুরো পোষ্টটি পড়েন এবং ভালোভাবে বুঝতে পারেন। চলুুন তাহলে আমরা গোটা পোষ্টটি ধৈর্যসহকারে পড়বো এবং শিখবো। আমার বিয়ে যদি আমি তাড়াতাড়ি করতে চাই তাহলে প্রথমত আমার আর্থিক অবস্থার দিক খেয়াল রাখতে হবে যে আমি বিয়ে করলে কিভাবে সংসার চালাতে পারবো বা কিভাবে সংসার চালালে ভালো হয় তার একটি গঠনশীল পরিকল্পনা তৈরি করবো এবং সে অনুযায়ী সামনের দিকে এগিয়ে যাব যাতে আমার বিয়ে কবে হবে তা ঠিক করতে পারি।
আমার বিয়ে কবে হবে তার একটা সুন্দরভাবে সূচিপত্র তৈরী করে নিম্নে দেওয়া হলো:
-
আমার বিয়ে কবে হবে যুুক্তিসংগত উপায়
-
চল্লিশ দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল
-
বিয়ে হওয়ার ভবিষৎ পরিকল্পনা
-
বিয়ে হবার সময় নিজের ভাগ্য এবং নিজের যোগ্যতা লাগে
-
বিয়ের ধরনের উপর নির্ভর করে বিয়ে কবে হবে
-
ইসলামিক আর ধমীর্য় দৃষ্টিকোন থেকে
-
কিভাবে বুঝা যায় যে আমার বিয়ের সময় হয়েছে
-
প্রার্থনা এবং ইতিবাচক মনোভাব থাকা
-
বিয়ে না হলে কি করতে হবে
-
তিন দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল
-
আমার বিয়ে কার সাথে হবে
-
ভালো ক্যারিয়ার গড়ার উপর নির্ভর করে বিয়ে
-
শেষ কথাঃআমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে যুুক্তিসংগত উপায়
আমার বিয়ে কবে হবে তার একটি যুক্তিসংগত উপায় আমরা বের করবোই যাতে আমার বিয়ে কবে হবে তার একটা সহজ সমাধান দূত পাওয়া যায। আমার বিয়ে কবে হবে তার একটা নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করতে হবে এবং এই তারিখের মধ্যে যাতে আমার বিয়ে হয় তার জোর প্রচেষ্টা চালাতে হবে।
জ্যোতিষশাস্ত্র যা বলে: হাতের তালুর রেখা দেখার মাধ্যমে বিয়ের বয়স অনেকে ধারনা করে থাকে যে তার বিয়ে কবে হবে এবং কোন সালে বা কোন মাসে হতে পারে। যদি হাতের রেখাটি হাতের তালুুর মধ্যেবিন্দু নিচে থাকে তবে ত্রিশ বছরের আগে হতে পারে এবং যদি হাতের তালুর রেখাটি হাতের তালুর উপরে থাকে তবে ত্রিশ বছরের পরে বিয়ে হতে পারে একটি ধারনা করা যায়। আবার গ্রহের দশা গোচর এর মাধ্যমে আমরা আমার বিয়ে কবে হবে তা জানতে পারবো। জন্ম কুষ্ঠির গ্রহের দশা, গোচর সাধারনত শুক্র, বৃহস্পতি,বা শনিবার হয় তা বিয়ের সময় নির্ধরনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
ব্যক্তিগত এবং সামাজিক কারণ হতে,যেমন মানসিক এবং আর্থিক কারন ২৫-৩২ বয়সকে বিয়ের বয়স ধরা হয়। এ সময় মানুষ নিজেকে সাবলম্বি করে তুলতে এবং নিজেকে কর্ম জীবনে মনোনিয়োগ করে থাকে যে তাকে বিয়ে করতে হবে।আর সংসার করতে হবে।এই সময় মানসিক পরিপক্কতা আসে এবং ২৫-৩২ বছর বয়সে বিয়ের জন্য আদর্শ বয়স বলে ধরা হয়।এই সময় মানুষ কর্ম জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে। ছেলেদের জন্য কর্মজীবন হচ্ছে জীবনের একটা প্রধান অংশ এর মধ্যে মানুষের জীবন সংসার নির্ভর করে। বিয়ে করতে হলে অবশ্যই ছেলেদের কর্ম জীবনে প্রবেশ করতে হয়।কর্ম জীবনে নিজেকে নিহিত না করলে বিয়ের ক্ষেত্রে বিলম্ব হয়।
আরো পড়ুন:প্রতি সপ্তাহে চার হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করুন
চল্লিশ দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল
আমার বিয়ে কবে হবে হচ্ছে না কেন এই জন্য অনেক আমল আছে যে ছেলে মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হয় না বা বিয়ে আসলেও সহজে হয় না। যদি নিয়মিত এইরকম হয় তাহলে আমরা মুসলমান হিসেবে আমাদের কিছু আমল আছে যা পাঠ করলে ইন্সাআল্লাহ খুব দূত বিয়ে হবে। এর আমল হচ্ছে ছেলে বা মেয়ে যাই হোক না কেন তারা প্রত্যেক ফজরের নামাজের পর সূর্যদয়ের আগে ৪০বার করে ৪০দিন পযর্ন্ত ছেলেরা ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কজি ধরে এবং মেয়েরা বাম হাত দিয়ে ডান হাতের কজি ধরে "ইয়া ফাত্তাহু" বলে পাঠ করবে। ইয়া ফাত্তাহু হচ্ছে আল্লাহু পবিত্র নাম যার অর্থ হচ্ছে উন্মমুক্তকারী বা প্রস্ততকারী।
"ইয়া ফাত্তাহু" বিবাহ ছাড়া আরো অনেক উপকারে আসে। যেমন "ইয়া ফাত্তাহু" ফজরের নামাজের পর দুই হাত বুকের উপর রেখে ৭১ বার পাঠ করলে ইন্সাআল্লাহ অভাব দূর হবে । এবং মনোবল বৃদ্ধি পাবে আর যে কোন কাজ সহজ হয়ে যাবে।তাছাড়া যাদের বিয়ের বয়স পার হয়ে গেলে বিয়ে হয় না তাদের জন্য দূত বিয়ে হওযার আমল আছে। এই আমল করলে ইন্সাআল্লাহ ৭দিনের মধ্যে বিয়ে হবে এই আমল হচ্ছে ৭টি যথা:
বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়া, যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়বে তার দোয়া আল্লহতালা সহজে ফিরিয়ে দেন না। এই জন্য আমাদেরকে বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়তে হবে যাতে আমাদের যে কোন দোয়া আল্লাহ্তালা সহজে কবুল করেন।
সুরা আদ-দোহা,সুরা কাসাসের ২৪নং আয়াত পাঠ করলে বিয়ে দূত হয়ে যায়।যদি কোন ছেলে বা মেয়ে ১০০বার এই আয়াত পাঠ করে তাহলে তার বিয়ে আল্লহপাক দূত করিয়ে দেন। এই জন্য আমাদের বাংলা পড়ার সাথে সাথ আরবি শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। যাতে আমরা সহজে আরবি বিভিন্ন আমল করতে পারি এবং সে অনুযায়ী কাজ পারি।
সুরা ইয়াসিন পাঠ করলে-
সুরা ইয়াসিন পাঠ করলে যাদের বিয়ে আসছে কিন্ত হচ্ছে না তাদের জন্য সুরা ইয়াসিন অত্যন্ত গুরুত্তপূন্য আয়াত যা পাঠ করলে বিয়ে তাড়াতাড়ি হয়ে যায়।এইটা পাঠ করতে হবে রোজ সকালে সূর্য যখন পূর্ব আকাশে লাল হয়ে উঠবে তখন পশ্চিম দিকে মুখ করে সুরা ইয়াসিন পাঠ করতে হবে।ইন্সাআল্লাহ বিয়ে দূত হবে।
সুরা তওবার ১২৯নং আয়াত পাঠ করলে-
সুরা তওবার ১২৯নং আয়াত পাঠ করলে,যাদের বিয়ে হচ্ছে না তাদের জন্য প্রতিদিন ফজরের নামাজের সুরা তওবার ১২৯নং আয়াত পাঠ করবে। ১৯বার বিসমিল্লাহ,১১০০বার সুরা তওবার ১২৯নং আয়াত,১০০বার দূরুদ শরীফ আবার শেষে ১৯বার বিসমিল্লাহ পাঠ করলে ইন্সাআল্লাহ বিয়ে দূত হবে।
সুরা মুজাম্মিল পাঠ করলে-
যেসব ছেলে বা মেয়ের বিয়ে হচ্ছে না বা বিয়ের প্রস্তাব আসছে না তাদের জন্য তাদের বাবা মা শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর ২রাকাত নফল নামাজ পড়ে ২১ বার সুরা মুজাম্মিল পাঠ করলে ইন্সাআল্লাহ দূত বিয়ে হবে।
তাসবি পাঠ করা-
আমার বিয়ে কবে হবে বা বিয়ে হচ্ছে না কেন এইজন্য প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজের পর ৩৩বার আলহামদুলিল্লা, ৩৪বার আল্লাহুআকবার,৩৩বার সুবহানআল্লাহ। এই তাসবি পাঠ করার আগে দূরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে ইন্সাআল্লাহ বিয়ে দূত হবে।
সুরা মরিয়ম পাঠ করলে-
কোন ছেলে বা মেয়ের বিয়ে যদি না হয় তাহলে সুরা মরিয়ম এক ওয়াক্ত নামাজের পর পাঠ করতে হবে তাহলে ইন্সাআল্লাহ বিয়ে দূত হবে। দেখেন এইগুলো আমাদের কোরআন ও হাদিসের মতে তাই আমরা এই আমল গুলো যথাযথ পালন করার চেষ্ঠা করবো।
উক্ত আমলগুলো ঠিক মত আমল করলে ইন্সাআল্লাহ বিয়ে দূত হবে। আমরা যেন এই আমলগুলো যাদের ছেলে বা মেয়েদের বিয়ে হয় না তাদের জন্য খুবই প্রয়োজন। এই আমল ছাড়া আরো অনেক বিষয় আছে যা আমরা পুরো পোষ্ট পড়ে জানতে পারবো।তাহলে আমরা যেন এই আমলগুলো সব ছেলে বা মেয়েরা যথাযথোভাবে পড়ি এবং অন্যকে এইসব আমল পড়তে শেখায়। আমরা ৭দিন বা ৪০দিনের আমল করবো এবং আমাদের বাবা মাকে বেশি বেশি দোয়া করতে বলবো।
বিয়ে হওয়ার ভবিষৎ পরিকল্পনা
আমার বিয়ে কবে হবে এই জন্য আমাদের ভবিষৎ পরিকল্পনা করতে হবে যে আমার বিয়ে কবে হবে এবং কখন বিয়ে হবে। বিয়ে মানুষের জীবনের এক গুরুত্তপূন্য অধ্যায়। এটি দুইটি ছেলে মেয়ের বন্ধন নয় কারন দুইটি জীবনের বন্ধন। এই দুই জনের নতুন জীবনের সূচনা ।তাই এই নতুন জীবনের সূচনা করতে একটুু ভাবতে হবে এর একটা ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে হবে। যে আমার বিয়ে কবে হবে ? এই পরিকল্পনা জীবনের এক রহস্য হয়ে দাড়ায়। আজকের এই লেখায় আমরা আলোচনা করবো যে কিভাবে আমাদের জীবনের যাত্রা শুরু করা যায়। আমাদের জীবনের যাত্রা শুরু করতে আমাদের অবশ্যই ভালো ভাবে চিন্তা ভাবনা করতে হবে যেন আমার বিয়েটা সুষ্ঠভাবে সম্পূন্য হয়।
কিভাবে আমাদের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলবো তার সুন্দর পরিকল্পনা দরকার। এই জন্য বাস্তবসম্মত একটা পরিকল্পনা করতে হবে। বিয়ে করার আগে নিজেকে ভালোভাবে প্রস্তুত করতে হবে।মেয়ে শুধু সুন্দর হলে হবে না তার বংশগত ভালো গুন,ব্যবহার আচারন,ধার্মিকতা দেখতে হবে।কারন যাকে আপনি বিয়ে করবেন তার সাথে সারা জীবন থাকতে হবে এই জন্য ভালো এবং সুন্দর মেয়ে বিয়ে করে জীবন সঙ্গী করতে হবে। তাই পরিকল্পনা করতে হবে বাস্তসম্মত যুক্তিসংগত যেন পরিকল্পনা কাজে লাগে এবং পরিকল্পনা সহজে বাস্তবায়ন হরা সম্ভব হয়।
বিয়ে হবার সময় নিজের ভাগ্য এবং নিজের যোগ্যতা লাগে
আপনার বিয়ে আসলে কার সাথে হবে এক মাত্র আল্লাহতালা জানেন। আল্লাহ প্রত্যেকটা প্রানীকে সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় এই জন্য আল্লাহ জানেন যে কার সাথে কার বিয়ে হবে। অনেকের বিশ্বাস যে জীবনে যা ঘটে তা ভাগ্যে আগে থেকে লেখা থাকেেএই জন্য বিয়ে হবার সময় নিজের নিয়তির উপর নির্ভর করে যে আপনার বিয়ে কবে হবে।যার বিয়ে হবে তার সামাজিক বা পারিবারিক এর কারনে অনেক সময় বিয়ে পিছিয়ে যায় কারন অনেক সময় পরিবারের নানাধিক সমস্য থাকতে পারে।
ভালো জায়গায় বিয়ে করতে হলে নিজের যোগ্যতা এবং ক্যারিয়ার সুন্দরভাবে গড়তে হবে যাতে নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী মেয়ে পাওয়া যায়। নিজের যোগ্যতা ভালো থাকলে ভালো যোগ্যতা সম্পূন্য মেয়ে বিয়ে করলে জীবনসঙ্গী ভালো হয় এবং নিজের জীবন সার্থক হয়। এই জন্য শুুধু নিজের যোগ্যতা থাকলে চলবে না মেয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে।নিজের যোগ্যতার পাশাপাশি মানসিকভাবে বিয়ের দায়িত্ব এবং জীবন সংসার চালানোর মত মানসিকতা থাকতে হবে।নিজের ভবিষৎ পরিকল্পনা এমন ভাবে করতে হবে যাতে বিয়ের পর জীবন সুখের হয় এবং কোন অভাব অনটন না হয় যদিও মানুষের অভাব অনটন আল্লাহুর পক্ষ থেকে হয় তার পর ও নিজের চেষ্টা থাকতে হবে।
আরো পড়ুন:শীতকালে ঠোঁট ফাটে কেন জেনে নিন
বিয়ের ধরনের উপর নির্ভর করে বিয়ে কবে হবে
ইসলামিক আর ধমীর্য় দৃষ্টিকোন থেকে
কিভাবে বুঝা যায় যে আমার বিয়ের সময় হয়েছে
প্রার্থনা এবং ইতিবাচক মনোভাব থাকা
বিয়ে না হলে কি করতে হবে
তিন দিনের মধ্যে বিয়ে হওয়ার আমল
আমার বিয়ে কার সাথে হবে
আমার বিয়ে কার সাথে হবে এটা একমাত্র আল্লাহতালা জানেন। তার পর নিজের চেষ্টা থাকতে হবে কারন নিজের চেষ্টা না থাকলে হবে না। আপনি যদি একজন ভালো মানুষ হন তবে আল্লাহ আপনার জন্য অবশ্যই একজন নেককার মেয়ের সাথে আপনার বিয়ে হবে আর যদি আপনি সাধারনত পরহেজগার না হন বাহলে আপনার কপালে আপনার মতো মেয়ে জুটবে। আপনার বিয়ে কার সাথে হবে এইটা অনেকটা আপনার উপর নির্ভর করে।
আপনার বিয়ে কার সাথে হবে এইটা নির্ভর করে আপনার উপর, দেখা যাচ্ছে আপনি স্কুল,কলেজে পড়াশুনা কালীন সময়ে হয়তো কারো সাথে সম্পর্ক করেছেন র্দীঘদিন ধরে তবে আপনার বিয়ে তার সাথে হতে পারে।আবার নিজের আত্বীয় স্বজনের সাথে মা বাবা বা আত্বীয়রা নিজের মেয়ে বা ছেলের সাথে বিয়ে দিবে বলে রাখে তখন আপনার বিয়ে তার সাথে হতে পারে।আবার অনেক সময় হঠাৎ দেখোতে সম্পর্ক হয়ে বিয়ে হয়ে যায়। আর বর্তমান যুগের কথাতো বলাই যায় না কখন আপনার মোবাইলে ফোন এর মাধ্যেমে মিশ কল এসে আপনার সাথে সম্পর্ক হয়ে বিয়ে হয়।
ভালো ক্যারিয়ার গড়ার উপর নির্ভর করে বিয়ে
আপনার ক্যারিয়ার ভালো হলে আপনার বাড়িতে মেয়ের প্রস্তাবের হিরিক লেগে যাবে। আপনি মেয়ে দেখে কুল পাবেন না । এই জন্য নিজের ক্যারিয়ার ভালো করলে বিয়ে খুব তাড়াতাড়ি হয়। আবার নিজের ক্যারিয়ার ভালো না হলে মেয়ে আসাতো দুরের কথা মেয়ে খুজে পাওয়া খুব কঠিনি হয়ে পরে। এই জন্য ক্যারিয়ার ভালোতো নিজের বিয়ের ভাগ্য ভালো হয়। ভালো ক্যারিয়ার হলে বিয়ের জীবন সংসার ভালোভাবে জীবন কেটে যায়।
তাই আমাদের ক্যারিয়ার যেন ভালো হয় সেদিকে অবশ্যই লক্ষ রাখতে হবে। এই জন্য ছোট থকেে চেষ্টা করতে হবে আমি বড় হয়ে কি হতে চাই এইরকম একটা লক্ষ রাখতে হবে যে আপনি বড় হয়ে কি পেশাই নিয়োজিত হতে চান এর একটা লক্ষ থাকতে হবে এবং সেই ভাবে আপনাকে এগিয়ে চলতে হবে জীবনে চলার পথে পথ নেক দূর কিন্ত ভালো ক্যারিয়ার এর জন্য কষ্ট আর পরিশ্রম করে যেতে হবে।
শেষ কথাঃ আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে, এই বিষয়ে আমরা উক্ত আলোচনায় অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারলাম যে ছেলে বা মেয়েদের বিয়ে কবে হবে এর একটা সুন্দর আলোচনা কোরআন ও হাদিসের আলোকে জানতে পারলাম। তাহলে আমরা এখন উক্ত বিষয় সমূহ পড়বো এবং আমল করলে ইন্সাআল্লাহ আমার বিয়ে খব তাড়াতাড়ি হবে। বিয়ে করা মুসোলমানদের জন্য সুন্নাত এই জন্য ছেলে বা মেয়ে যাই হোক না কেন তাদের কোরআন ও হাদিসের আলোকে,একটা সুন্দর পরহেজগার,গুনবতি,রুপবতি,যা বলা যায় না কেন যতো দূর পারা যায় বিয়ে দিতে হবে। আমরা উক্ত পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম যে বিয়ে কবে হবে।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন আপনাদের সেবাই আমি নিয়জিত ইন্সাআল্লাহ্ সমস্ত সহযোগীতা পাবেন।

.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url