পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া
পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া,কি ধরনের পার্টটাইম ব্যবসা করলে আপনি সহজে লাভবান হতে পারবেন । আপনি এই পোষ্টটি পড়ে জানতে পারবেন যে কি ধরনের ব্যবসা করা যায়।এখনকার দিনে কে না চাই একটু বাড়তি ইনকাম হক।চাকরি বা ছোট ব্যবসার পাশাপাশি একটা পার্টটাইম ব্যবসা হলে ভালো হয়।বর্তমান সময়ে যে জিনিস পত্রের দাম এতে কমবেশি সবারই পার্টটাইম ব্যবসা প্রয়োজন। এই পোষ্টটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন কিভাবে একটা পার্টটাইম ব্যবসা করা যায়।
পেজ সূচিপত্রঃপার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া
-
পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া
-
অনলাইন ব্যবসা
-
ফুড ডেলিভারি করতে পারেন
-
ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং
-
প্রাইভেট টিউশন করিয়ে
-
অতিরিক্ত ইনকাম এর উৎস
-
ঝুকির সম্ভাবনা কম
-
নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগান
-
ব্যবসার করার অভিজ্ঞতা হয়
-
সহজে ব্যবসা শুরু করা যায় এরকম ১০ টি পার্টটাইম ব্যবসা উল্লেখ্য করা
হলো।
-
সঠিক ব্যবসার জন্য সঠিক পরিকল্পনা করা
-
ব্যবসা বড় করার কৌশল
-
শেষ কথাঃপার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া
পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া
পার্ট টাইম ব্যবসার আইডিয়া,পার্টটাইম ব্যবসা এমন একটা ইনকামের উৎস যা দ্বারা আপনি এটা চাকরি,পড়াশুনা,ক্ষেতখামারে বা অন্য কোন কাজের পাশাপাশি করতে পারেন।বর্তমান যুগে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা আছে যা আপনি করে এখান থেকে কিছু ইনকাম করতে পারবেন।এই ব্যবসা আপনি সল্পপুজি এবং অল্প সময় দিয়ে করতে পারবেন।
এখানে আমরা জানবো যে কি করে অল্পপুজি দিয়ে পার্টটাইম ব্যবসা করা যায়।এখানে আপনি কিভাবে ব্যবসা শুরু করবেন,কি পরিকল্পনা করবেন,এবং আপনার এই ব্যবসার করলে আপনার কি সফলা আসবে এই সকল বিষয়ে আপনি এই পোষ্টটি পড়ে জানতে পারবেন যে আপনি কি ভাবে ব্যবসা শুরু করবেন।
আরো পড়ুনঃ শীতকালে ঠোঁট ফাটে কেন জেনে নিন
অনলাইন ব্যবসা
আপনি অনলাইন ব্যবসা করতে পারেন,অনলাইন ব্যবসা একটা খুবই জনপ্রিয় ব্যবসা।এর মাধ্যমে আপনি পাইকারি বাজার বা সাপ্লায়ার এর কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে এটা আপনি গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারেন।এ জন্য আপনার একটা ফেসবুক পেজ,১০০০০ বা ২০০০০ হাজার টাকা পুজি লাগবে এবং পাইকার বা সাপ্লায়ার লাগবে এদের মাধ্যমে আপনি এই ব্যবসা করতে পারবেন।
এই ব্যবসা আপনি যে কোন কাজ বা চাকরির পাশাপাশি করতে পারবেন, কারন এতে বেশি সময় দিতে হবে না।শুধু কিছু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন আপনার অভিজ্ঞতা যদি ভালো হয় তাহলে এখান থেকে ভালো ইনকাম করতে পারবেন। এই ব্যবসা আপনি কারো পণ্য বিক্রয় করে কমিশনে ইনকাম করতে পারবেন।
ফুড ডেলিভারি করতে পারেন
আপনি যদি শহরে থাকেন তাহলে ফুড ডেলিভারি করতে পারেন।এই কাজ সবাই করতে পারবেন,ছাত্র,গৃহিণী,বা যে কোন বেকার মানুষ এটা করতে পারবেন।আপনি শহরে থাকেন বা যেখানে থাকেন না কেন ফুড ডেলিভারি করতে হলে ছাত্রদের মেস বা চাকরি জীবি মেস খোজ করতে হবে যারা খাওয়ার হোটেল থেকে কিনে খায়। এতে তাদের খরচ বেশি হয় আপনি যদি তার থেকে কম খরচে তাদের খাবার সরবরাহ করতে পারেন।
তারা তাহলে আপনার কাছ থেকে নিয়ে খাবে এতে আপনার ফুড ডেলিভারি হবে এবং আপনার ইনকাম হবে।এই গুলো খাবার এর মধ্যে রাতের ও দুপুরের খাবার বাদে আপনি শীতের সময় পিঠা,কেক,বিরিয়ানি, কোন অনুষ্টানে সরবরাহ করতে পারেন।এখন এগুলো ব্যবসা আরো সহজ কারন এখন ফেসবুক,ইউটিউব,আরো বিভিন্ন মাধ্যম আছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসা সহজে করতে পারবেন।
ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং
আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং কাজ পারেন তাহলে আপনি ঘরে বসে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে বাহিরে যাওয়া লাগবে না। আপনি অনলাইনে কাজ ধরে করতে পারেন এবং পেমেন্ট নিতে পারবেন বিকাশ বা অন্য কোন অ্যাকা্ন্টে আপনার ইচ্ছামত।আপনি অনলাইনের মধ্যে যে কোন একটিতে দক্ষ হলে কাজ করে ইনকাম করতে পারবেন।
আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ ,ভিডিও এডিটিং এর কাজ,লোগো ডিজাইন করা, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ পারেন তাহলে এগুলো ঘরে বসে করতে পারবেন।কন্টেন্ট রাইটিং লেখা কন্টেন্ট এর টপিক বাছায় করা, আরো অনলাইনের কাজ পারেন তাহলে তা সার্ভিস দিয়ে মাসে কমপক্ষে আপনি ৩০ বা ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। এই জন্য আপনাকে খুবই এক্সপার্ট হতে হবে যেন আপনি সহজে কাজ পান এবং কাজ করতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ প্রতি সপ্তাহে চার হাজার টাকা পযন্ত আয় করুন
প্রাইভেট টিউশন করিয়ে
আপনি যে বিষয়ে পড়াুশুনা করেছেন সে বিষয়ের উপর আপনি টিউশন করাতে পারেন।যদি বিভাগীয় শহরে থাকরন তাহলে ভালো আর যদি গ্রামে থাকেন তবে আপনার ছাত্র সংখ্যা বেশি হলে ইনকাম বেশি হবে। আর যদি শহরে হয় তাহলে হোম প্রাইভেট পড়ালে ৫টা বা ১০ টা পড়ালে ১৫থেকে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর যদি কোচিং করে পড়ান তবে ৫০ থেকে ১ লক্ষ টাকা ও ইনকাম করতে পারবেন।
টিউশনি করাতে ধৈর্য্য এবং পরিশ্রমি হতে হয়।দেখেন আপনি যে কাজ করেন না কেন, পরিশ্রম আর ধৈর্য ছাড়া কোন কাজ নাই।ধৈর্য্য এবং পরিশ্রম করলে আপনার সাফল্য একদিন আসবে।টিউশনি করালে একটা সুবিধা হয় আপনি যে কোন চাকরির জন্য পরীক্ষা দেন না কেন লিখিত পরীক্ষাতে আপনি পাশ করবেন ইন্সাআল্লাহ আর ভাইবা তো আপনার প্রশ্ন উত্তর আর আপনার ভাগ্যের উপর নির্ভর করে।
অতিরিক্ত ইনকাম এর উৎস
আপনি যখন পার্টটাইম জব করবেন তখন আপনার আয়ের একটা অতিরিক্ত ইনকাম হবে এটা।আপনি অতিরিক্ত আয় করবেন তখন যখন আপনার বর্তমান আয়ের দ্বারা সংসার চালানো একটু কষ্টকর হবে।আবার দেখেন আপনি যখন অতিরিক্ত আয় করবেন তখন আপনি ব্যস্ত থাকবেন, আপনার যেকোন টেনশন কম থাকবে কারন যখন অযথা বসে থাকবেন তখন আপনার বিভিন্ন ধরনের মনে আসবেন।
পার্টটাইম ব্যবসা যেমন আপনার আয় বাড়াবে তেমনি আপনার অনেক টেনশন কমাবে। এই জন্য পার্টটাইম জব বা ব্যবসা করা ভালো।এই আয় যদি আপনি জমা করে রাখেন তবে এটা আপনার ভবিষ্যৎতের জন্য কাজে আসবে।
ঝুকির সম্ভাবনা কম
কেউ যদি পার্টটাইম ব্যবসা করে তবে তার ঝুকি অনেকটা কম হয়।কারন এতে পুজি কম লাগে ঝুকি কম থাকে।অনেকে এই ছোট ব্যবসা লাভ হলে করে আর লাভ না হলে করে না এই জন্য এতে ঝুকি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।এই ব্যবসাতে বেশি লোকজন লাগে না যতক্ষন না এই ব্যবসার সেল বাড়বে যেমন এই ব্যবসা ২ বা ৩ ঘন্টা করে ১০০ বা ২০০ কাস্টমার হয় তাহলে কর্মচারি রাখতে হবে।
আর যদি কাস্টমার কম হয় তাহলে একা করলে করা যায়।তবে ব্যবসা যদি পপুলার হয় তাহলে কম সময়ের মধ্যে বেশি সেল করা যায়।যাই হোক ব্যবসা ঝুকি ততো কম থাকে।আবার পার্টটাইম ব্যবসা অনেকে করতে চাই না,যদি কারো একান্ত প্রয়োজন হয় তবে করে থাকে।
নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগান
পার্টটাইম ব্যবসাতে আপনি নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে পারবেন। আপনার দক্ষতা থাকতে পারে যেমন কন্টেন্ট রাইটিং,রান্না করা,টেইলারএর কাজ,বিউটি পার্লার,তারপর টিউশনি করানো এই গুলোর মধ্যে কোন দক্ষতা না থাকলে আপনার যে দক্ষতা থাকবে সেটাকে কাজে লাগিয়ে আপনি ব্যবসা করতে পারবেন।মানুষ বর্তমানে পড়াশুনা করেও চাকরি পাচ্ছে না কিন্তু আপনার কোন কাজে দক্ষতা থাকে তাহলে এই দক্ষতা দিয়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন।
নিজের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের অনেক মানুষ অনেক কিছুু তৈরি করছে। এবং দেশের সুনাম বয়ে আনছে। মানুষ চেষ্টা করলে কি না পারে, বিজ্ঞানিরা কত চেষ্টা করে কত কিছু আবিষ্কার করে থাকে। যা দেশের ছাড়া বিদেশের মধ্যে তাদের সুনাম ছড়িয়ে আছে।
ব্যবসার করার অভিজ্ঞতা হয়
পার্টটাইম ব্যবসা বা ছোট ব্যবসা থেকে আসতে আসতে বড় ব্যবসা শুরু হয়।ছোট ব্যবসা থেকে কেউ যদি অনেক দিন যাবৎ এই ব্যবসা করে তাহলে তার ব্যবসার পুরো ভালোভাবে অভিজ্ঞতা হয়ে যায়,তখন সে ব্যবসা বড় করতে পারে।এইভাবে মানুষ ছোট ব্যবসা থেকে একদিন অনেক বড় কোম্পানিতে রুপান্তর করে থাকে।ব্যবসা সঠিকভাবে করলে এবং সৎভাবে করলে একদিন ব্যবসা বড় হবে এবং ব্যবসা সফল হয়।
এই জন্য যে কোন কাজ,চাকরি বা ব্যবসা করুন না কেন আপনাকে সৎ হতে হবে তাহলে আপনি জীবনে উন্নতি করতে পারবেন। আর যদি অসৎ পথে ব্যবসা বা চাকরি করেন অথবা কারো কাজে ফাকি দিয়ে টাকা নেন তাহলে আপনি কখনো বড় কিছু হতে পারবেন না।
আরো পড়ুনঃ অনলাইন থেকে আনলিমিটেড টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়
সহজে ব্যবসা শুরু করা যায় এরকম ১০ টি পার্টটাইম ব্যবসা উল্লেখ্য করা হলো।
- অনলাইন রিসেলিং ব্যবসা
- ফুড ডেলিভারি
- ফ্রিল্যান্সিং,ডিজিটাল মার্কেটিং( গ্রাফিক ডিজাইন,ভিডিও এডিটিং,লোগো ডিজাইন করা,ডাটা এন্টির কাজ )
- প্রাইভেট টিউশন করা
- প্রিন্ট করা
- রিয়েল এসেস্ট বা প্লট অথবা জমি বিক্রি করা
- কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে পণ্য প্রচার করা
- ড্রপশিপিং ব্যবসা
- কৃষিপণ্য ব্যবসা করা গ্রাম থেকে কৃষিপণ্য কিনে শহরে পাইকারি বিক্রি করা
সঠিক ব্যবসার জন্য সঠিক পরিকল্পনা করা
- আগে কি ব্যবসা করবেন তা নির্ধারন করা।
- নিজের দক্ষতা চিহ্নত করা যে আপনি আপনার কোন দক্ষতাকে কাজে লাগাবেন।
- সময় ঠিক করতে হবে আপনি আপনার ব্যবসার মধ্যে কখন এবং কত সময় দিতে পারবেন।
- কোন ব্যবসা করবেন এবং কত টাকা লাগবে তা হিসাব করুন।
- ব্যবসার পণ্য বিক্রির টার্গেট ঠিক করতে হবে
- কত দিনে কত পণ্য বিক্রি করবেন তার পরিকল্পনা করতে হবে।
- মার্কেট রিসার্চ করতে হবে।
- আপনার পণ্যর একটি ব্যন্ড তৈরি করতে হবে।
ব্যবসা বড় করার কৌশল
- ব্যবসা করলে সঠিক ভাবে করতে হবে।
- যথেষ্ট ধৈয্য এবং পরিশ্রম করতে হবে।
- নিয়মিত সঠিক সময় দিতে হবে।
- পণ্যর কোয়ালিটি এক ভাবে ধরে রাখতে হবে যেন পণ্য প্রথমে ভালো ব্যবসা চালু হলে পণ্যর মান যেন খারাপ না হয়।
- যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পণ্য পরিবর্তন।
- গ্রাহকের সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করা।
- অনলাইন মার্কেটিং করা
- কারো কাছে পণ্য সরবরাহ করলে সেটি সঠিক সময়ে করা।
- ২ থেকে ৩ মাস কম লাভ করুন তারপর পণ্য অনুযায়ী লাভ করুন।

.jpg)
.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url