খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়,কাশি আমাদের জন্য উপকারে আসে আবার বেশি কাশি হলে সমস্য সৃষ্টি হয়।বিরক্তিকর কাশি থেকে আমাদের অবশ্যই বাচতে হবে তা না হলে আমাদের খাওয়া দাওয়া ঘুম সব কিছুুতে সমস্য সৃষ্টি করে। কাশি আবার আমাদের জন্য ভালো কারন আমাদের শ্বাসনালীর ভিতরে থাকা জীবানু,ধুলো যে কোন উপাদানকে বের করতে সাহায্য করে থাকে।
আমরা এখন জানবো যে করে বিরক্তিকর কাশি কি ভাবে সহজে দূর করা যায়।এই খুসখুসে কাশি একবার শুরু হলে টিক হয় না এর জন্য কিছু উপায় আছে সে অনুযায়ী শতর্ক থাকলে আপনার খুসখুসে কাশি দূর করতে সহায়তা করবে।পেজ সূচিপত্রঃখুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়,খুসখুসে কাশি মানুষের যখন হয় কারো সহজে
বা তারাতারি ভালো হয়। আবার কারো সহজে ভালো হয় না এই কাশি অনেক সময় মানুষকে
দুশ্চিন্তার মধ্যে ফেলে দেয়।এই কাশি অনেক কষ্টদায়ক হয় ঘুম খাওয়া দাওয়া খুবই
কষ্টকর। এই জন্য একটা সহজ উপায় দরকার।এই কাশিতে গলা ব্যথা করে,বুক ব্যথা
করে,জ্বর আসে মাঝে মাঝে,এই জন্য এর একটা সহজ উপায় দরকার চলুন তাহলে এই
কাশি দূর করার উপায়সমূহ আমরা এই পোষ্টটি সম্পূন্যটা পড়ে জানবো আসলে কিভাবে
খুসখুসে কাশি দূর করা যায়।
আরো পড়ুনঃমাথা ব্যথা কমানোর ১০টি উপায়
আপনার কাশি কেন হচ্ছে এই কারনসমূ আগে জানতে হবে চলুন তাহলে আগে এর কারন
জানি তারপর এই কাশি কিভাবে দূর করা যায় তা জানবো।
খুসখুসে বিরক্তিকর কাশির কারন সমূহ
ধুলাবালু বা অনেক গুলো পশু চড়ালেঃ
যারা ধুলা বালুর মধ্যে কাজ করে তাদের এই খুসখুসে কাশি হওয়ার আশঙ্খা বেশি
থাকে। এই কাজের সময় ধুলাবালু আমাদের নাক মুখ দিয়ে শ্বাসনালীতে যায় এবং আমাদের
এই শ্বাসনালী ধুলাবালু দ্বারা এ্যলার্জিজনিত কারনে আমাদের খুসখুসে কাশি হয়।এই
জন্য আমাদের যথা সম্ভব এই সমস্থ ধুলাবালু থেকে যত দূর পারা যায় দূরে
থাকতে হবে বা নিরাপদে থাকতে হবে।
ইনফেকশন এর কারনেঃ
আপনার গলায় যদি হালকা কাশি হওয়ার পর ইনফেকশন হয়ে যায় তাহলে হয় ইনফেকশন
এর ঔষুধ খেতে হবে তা না হলে এই ইনফেকশন থেকে খুসসখুসে দীর্ঘস্থায়ী কাশি হতে
পারে।এই জন্য কাশি শুরু হলে এক সপ্তাহের মধ্যে ভালো না হলে এ্যন্টিবায়টিক
খাওয়া প্রয়োজন। এ্যন্টিবায়টিক না খেলে এই কাশি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
ভাজাপুরা বেশি খেলেঃ
আপনি যদি অতিরিক্ত ঝাল বা ভাজাপুরা খান এর জন্য এসিডিটি আপনার হবে।এই এসিডিটি
মানুষের খাদ্যনালীতে ওঠে আসে এবং তখন কাশি হয়। তাহলে কাশি দূর করার জন্য
আমাদের ভাজাপুরা কম খেতে হবে। যেন আমাদের অতিরিক্ত এসিডিটি না হয়।
ফুসফুসের কোন রোগ থাকলেঃ
ফুসফুসে কোন জটিল রোগ থাকলে কাশি সহজে ভালো হয় না। এই জন্য আমাদের ধুমপান
থেকে নিজেকে বিরত থাকতে হবে।ধুমপান দিয়ে আবার অনেক ধরনের জটিল অসুখ হয়ে থাকে।
ধুমপান থেকে দীর্ঘস্থায়ী কাশি হয়।
ভাইরাস এ আক্রান্ত হলেঃ
জ্বর সর্দি কাশি হলে স্বাভাবিক ভাবে কাশি হয় কিন্ত অনেক সময় জ্বর সর্দি ভালো
হলে কাশি থেকে যায়।এই কাশি অনেকের ২বা ৩ সপ্তাহ থাকে এই থেকে ভাইরাস আক্রান্ত
হয় এবং কাশি দূীর্ঘস্থায়ী হয় এই জন্য ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন হয়।
আবহাওয়া পরিবর্তন হলেঃ
আবহাওয়া পরিবর্তন হলে যেমন ঠান্ডা থেকে গরম আবার গরম থেকে ঠান্ডা সিজনে খুব
সাবধানে থাকতে হবে এই সময় বেশি ভাগ মানুষের জ্বর সর্দি কাশি হয়ে থাকে এই জন্য
এই রকম আবহাওয়াতে একটু সাবধানে থাকতে হবে তাহলে আমাদের জ্বর সর্দি কাশি হবে
না।
ঘরোয়া উপায়ে কাশি কিভাবে দূর করা যায়
আমরা এখন ঘরোয়া উপায়ে কাশি কিভাবে দূর করা যায় বা জানবো আমাদের একটু কাশি হলে
আমরা ডাক্তারের পরামর্শ নেয় কিন্ত একটু চেষ্টা করি না যে ঘরোয়া উপায়ে কি ভাবে
কাশি, ওষুধ না খেয়ে দূর করা যায়।তাই প্রাথমিক অবস্থায় ঘরোয়া উপায়ে কাশি দূর
কারার চেষ্টা করা দরকার।চলুন তাহলে আমরা জানি কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে কাশি কিভাবে
দূর করা যায়।
আরো পড়ুনঃ
হাঁটু ব্যাথার কারণ ও প্রতিকার
মধু বা গরম পানি খাওয়াঃ
মধু খেলে আমাদের গলা গরম থাকে তখন কাশি উপশম হয়, এখানে এক চামচ মধু আর
এক গ্লাস গরম পানি দিয়ে খেলে কাশি উপশম হয়।এইভাবে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেতে
হবে।
আদা চা খাওয়াঃ
ঘরোয়াভাবে আদা চা খেলে কাশি কমে যায়,আদায় থাকে অ্যান্টিঅক্সিজেন এবং কাশি
প্রতিরোধক উপাদান যা দ্বারা আদা চা খেলে কাশি কমে যায়।আদা চা খাওয়া
কাশি উপশমের একটি কম খরচের মধ্যে কাশি দূর করার ভালো উপায়।
লবন এবং পানিঃ
লবন এবং পানি দিয়ে লবন পানি গরম করে ফুটাতে হবে এবং এই পানি দিয়ে মুখে নিয়ে
গড়গড়া করতে হবে দিনে ৩ থেকে ৪ বার তাহলে কাশি অনেকটা ভালো হবে।এখানে ১ চামচ
এর সাথে ১ গ্লাস পানি দিয়ে গরম করতে হবে।
মধু এবং কালোজিরা খেলেঃ
মধুর সাথে কালোজিরা খেলে কাশি ভালো হয়। কালোজিরার মধ্যে শ্বাসনালীর
অ্যালার্জি কমানোর উপাদান থাকে যা দ্বারা খুসখুসে কাশি দূর হয়।এখানে আধা চামচ
কালোজিরা এবং এক চামচ মধু খেলে কাশি ভালো হয়।
পানি প্রতিদিন পরিমানমত খেতে হবেঃ
আমাদের প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লিটরি খাওয়া প্রয়োজন ।শরীরে পানির শূন্যূতা থাকলে
কাশি সহজে কমবে না এই জন্য আমাদের পানি নিয়মিত পান করা দরকার।আমরা সাধারনত
শীতের সময় পানি কম পান করি গরম থাক বা শীত থাক প্রতিদিন পরিমান মত পানি পান
করা প্রয়োজন।
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াঃ
নিয়মিত ভিটামিন সি খাওয়া প্রয়োজন, ভিটামিন সি খেলে কাশি উপশম হয়। আমাদরে
শরীরের জন্য সকল ধরনের ভিটামিন জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। বিশষ করে সিজনাল
ফলমূল বা শাক সবজি খাওয়া দরকার।
তুলসি পাতা এবং মধুঃ
তুলসি পাতার রস কাশির জন্য খুবই উপকারে আসে, এখানে তুলসি পাতার রস এবং মধু
মিশিয়ে খেলে কাশি উপশম হয়।
গরম দুধে হলুদ মিশ্রম খাওয়াঃ
কাশি দূর করার জন্য ঘরোয়া আর একটি উপায় হচ্ছে গরম দুধের সাথে খাটি হলুদের
মিশ্রন খাওয়া। হলুদের মধ্যে কাশি উপশম করার উপায় আছে যা দ্বারা আপনার কাশি
প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে থাকে।
ডাক্তারের পরামর্শ কখন নিবেন
কাশি সাধারনত ৩ সপ্তাহের বেশি হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন
কারন এই সময় গলায় ইনফেকশন হয় বা ভাইরাস হতে পারে।
আরো পড়ুনঃ
কলা ও খেজুর খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা
জটিল কাশির লক্ষন সমূহ
কাশি জটিল হলে কাশি দীর্ঘস্থায়ী হয় এই জন্য আমাদের লক্ষ রাখতে হবে যেন জটিল
কাশি না হওয়ার আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।তাই আমাদের জানা প্রয়োজন যে
জটিল কাশি হলে এর লক্ষসমূহ কি কি এবং এর প্রতিকার কিভাবে করা যায়।চলুন তাহলে
আমরা এখানে জানবো যে জটিল কাশির লক্ষন কি কি?
- রক্তসহ কাশি।
- কাশির সময় শ্বাসকষ্ট।
- বুক ব্যথা।
- কাশি রাতে বেশি হওয়া।
- অনেকক্ষন ধরে কাশি হওয়া।
- গ্যাসটিক এর সমস্যার কারনে।
- অতিরিক্ত ওষুধ খেলে যে কোন রোগের জন্য।
- ফুসফূসে ক্যান্সার হলে।
- বেশি পরিমানে ধুমপান করলে।
উপরোক্ত লক্ষগুলো যদি আপনার থাকে তাহলে আপনি অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ
নিবেন। তা না হলে ইই কাশি থেকে অন্যকিছু হতে পারে। মানুষের অসুখ এর
মধ্যে কোন কিছুই র্দর্ঘস্থায়ী ভালো নয়। এই জন্য যত তাড়াতাড়ি পারা যায়
চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
শেষ কথাঃখুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
শেষ কথাঃখুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়,আমরা উরোক্ত আলোচনায় আমাদের
খুসখুসে কাশি দূর করার অনেক ঘরোয়া এবং ডাক্তারি উপায় জানতে পারলাম।এবং সেই
সাথে এর লক্ষনসমূহ জানতে পারলাম।তাই আমাদের কাশির প্রাথমিক অবস্থায় আমাদের
কাশি যেন দীর্ঘস্থায়ী না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে এবং সে অনুযায়ী
ব্যবস্থা নেওয় উচিত।পোষ্টটি ভালো লাগলে আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে
পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ
করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন। ইন্সাআল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন।

.jpg)
.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url