রাতে ঘুম না আসার কারণ
রাতে ঘুম না আসার কারণ,অনেকে আছেন যাদের রাতে ঘুম আসে না।এটা একটা বিরক্তিকর বিষয় রাতে ঘুম না আসলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন ধরনের সমস্য সৃষ্টি হয়।এতে মানুষের মানসিক সমস্য হতে পারে।আমাদের ব্রেন ঠিক মত কাজ করতে হলে অবশ্যই ঘুম দরকার এবং একটা নিদির্ষ্ট ঘন্টা ঘুমাতে হবে।আমাদের রাতে ঘুম না আসলে এর কারন আমাদের জানা প্রয়োজন।
পেজ সূচিপত্রঃ রাতে ঘুম না আসার কারণ
রাতে ঘুম না আসার কারণ
রাতে ঘুম না আসার কারণ,ঘুুুুম মানুষের জীবনে শারীরিক এবং মানুষিক প্রশান্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্তপূর্ণ।একজন মানুষের সারা দিনে কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন।তা না হলে শরীর এবং মসতিষ্কোর জন্য প্রভাব ফেলবে।বর্তমান যুগে মানুষের কর্মব্যস্ততা বিভিন্ন ধরনের চিন্তাভাবনা এবং যুগ ডিজিটাইলের জন্য মানুষ এর রাতে ঘুমাতে দেরি হয় আবার কোন সময় সহজে ঘুম আসে না।
আরো পড়ুনঃ খুসখুসে বিরক্তিকর কাশি দূর করার উপায়
এরকম যদি প্রতিদিন রাতে ঘুম না আসে তাহলে মানুষের মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয়।এই ধরনের সমস্যকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বলা হয় ইনসমনিয়া।এই সমস্য যদি প্রতিনিয়ত চলতে থাকে তাহলে আমাদের শারীরিক এবং মানসিক জীবনে মারাত্মক প্রভাব বিস্তার ফেলে।রাতে ঘুম না আসা একটা মারাত্মক খারাপ অভ্যাস এই কারনে আপনার জানতে হবে ঘুম না আসার কারনসমূহ।
মানসিক টেনশান এবং বিভিন্ন চিন্তা
মানসিক টেনশান একটা সাধারন বিষয় যা মানুষের মনে থাকলে সহজে ঘুম হয় না।আবার বিভিন্ন ধরনের চিন্তা থাকলে রাতে ঘুম হয় না।মাথায় যখন বিভিন্ন ধরনের চিন্ত থাকে তখন রাতে এই চিন্তার কারনে ঘুম আসে না।মানসিক টেনশান যেমন পারিবারিক বা নিজের চাকরি,কাজকর্ম,ব্যবসা বানিজ্য এগুলো ক্ষেত্রে মানসিক টেনশান থাকলে রাতে সহজে ঘুম হয় না।
বিভিন্ন ধরনের চিন্তার মধ্যে আপনি যে কোন বিষয় নিয়ে যদি গভির ভাবে চিন্তা করেন তাহলে এই চিন্তাটি আপনাকে ঘুমাতে দেয় না।আবার আপনার চাকরির কোথাও পরীক্ষা আছে এই পরিক্ষায় কি হবে আমি পারবো কি না এই চিন্তায় ঘুম হয় না।দেখেন আপনি যখন কোন চিন্তা গভীরভাবে নিবেন তখন এটা আপনার ব্রেনে ইফেক্ট পড়বে,এবং আপনার শাথার মধ্যে গভীর চিন্তা ঢুকিয়ে দিবে।
মোবাইল ব্যবহার করলে রাতের ঘুম কি হয়
বর্তমান যুগে মোবাইল, বড় থেকে শুরু করে ছোট সবার, বিশেষ করে যাদের মোবাইল বেশি ব্যবহার করার অভ্যাস আছে তাদের রাতের ঘুম কম হয়।কারন একটা নেশার মত পরিনতি হয়ে দাড়িয়েছে। মোবাইল,টিভি,ল্যাপটক এগুলো বেশি ব্যবহার করলে এগুলাের যে আলোকর রশ্মি থাকে সে রশ্মি আমরা দেখি এর কারনে আমাদের মস্তিষ্কে মেলাটোানিন হরমোনের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়।
যার ফলে আমাদের ঘুম সহজে আসে না।এই মেলাটোনিন হরমন আমাদের ঘুমের জন্য অত্যান্ত জরুরি।এই রশ্মির কারনে আমাদের যে সমস্য হয় তা হচ্ছে মাথা ব্যথা,চোখ জ্বালাপোড়া,ঘুম দেরিতে আসা।এই জন্য আমাদের প্রয়োজন এগুলো ডিভাইস থেকে যত পাড়া যাই দূরে থাকা বা কম দেখা ভালো।
সঠিক সময়ে না ঘুমালে কি হয়
প্রতিটি জিনিসের একটা নিদিষ্ট নিয়ম কানুন থাকে।এই জন্য আমাদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে সব কিছু যা যখন দরকার তা করতে হবে যেমন খাওয়া দাওয়া ঘুমানো শারীরিক ব্যায়ম এই সমস্ত কিছুু আমাদের সঠিক সময়ে করার অভ্যাস করতে হবে।সাধারনত আমরা কাজে ব্যস্ত থাকলে সকালের নাস্তা খায়,১২টার দিকে আবার দুপুরের নাস্তা খায় বিকেলে, আর রাতের নাস্তা খায় রাত ১২টার দিকে।
আরো পড়ুনঃ মাথা ব্যথা কমানোর ১০টি উপায়
এই রকম অভ্যাস থাকলে অনিয়ম তো হবেই। এই রকম অনিয়ম করলে আপনার ঘুম রাতে দেরিতে হবে আর রাতে সহজে ঘুম আসবে না।আমরা যদি সকালের নাস্তা সকাল ৮টার দিকে,দুপুরের খাবার ১টা বা ২টার দিকে এবং রাতের খাবার রাত ৮টার দিকে করলে আপনি সময় মত সবকিছুু করতে পারবেন।তাহলে আপনার ঘুম সঠিক সময়ে হবে। আর সঠিক সময়ে না ঘুমালে আস্তে আস্তে আপনার মানসিক সমস্যা হতে পারে।
নেশা জাতীয় দ্রব্য আর ঘুম
নেশার কারনে মানুষের ঘুম কম হয়।নেশা জাতীয় দ্রব্য বলতে এখানে চা,কফি,সিগারেট,পানীয় জাতীয় ড্রিংস্,অথবা অন্যন্য নেশা জাতীয় জিনিস। এ ধরনের খাবার বা পানীয় ঘুমের জন্য বড় ধরনের পার্শ্বপতিক্রিয়া সৃষ্টি করে থাকে।চা, কফি,ড্রিংস এর মধ্যে ক্যাফেইন থাকে যা পান অতিরিক্ত পরিমানে পান করলে মাথার স্নায়ুতন্ত্রকে উত্তেজিত করে তোলে এই জন্য মানুষের ঘুমের সমস্যা সৃষ্টি হয়।
এই জন্য অতিরিক্ত নেশা জাতীয় দ্রব্য বা পানীয় দীর্ঘদিন ধরে পান করলে স্মৃতি শক্তি লোপ পায় আবার রাতে তাড়াতাড়ি ঘুম আসে না যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি করে।এগুলো খাবার বা পানীয় মানুষের জীবনকে ধ্বংস করে ফেলে মানুষ বেঁচে না বাচার মত থাকে। এই জন্য শরীর ঠিক রাখতে এই গুলো খাবার থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে।
জটিল রোগে অসুস্থ থাকা
যে কোন মানুষ যখন জটিল রোগে অসুস্থ থাকে তখন তার ঘুম স্বাভাবকি ভাবে না আসার কথা।এই জন্য চেষ্টা করতে হবে যে আমাদের যখন কোন অসুখ হয় তখন দূত চিকিৎসা নেওয়া ভালো।কারো যদি প্রচন্ড মাথা ব্যথা থাকে,চোখ ব্যথা,বা শারীরিক কোন ব্যথা থাকলে এই ব্যথা অনেক সময় সারা রাত করতে থাকে।কিছু ব্যথা আছে যেগুলো ব্যথা ওষুধ খেলেও সহজে কমে না।আবার যাদের কাশি আছে তারা কাশির কারনে রাতে ঠিক মত ঘুমাতে পারে না।
মানসিক অসুস্থ,অতিরিক্ত চিন্তা
মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষের ঘুম হয় না।সারাদিনের মধ্যে এদের যখন ঘুম আসে তখন ঘুমায় এই ধরনের মানুষের তাদের কখন ঘূমাতে হয় নিজে জানে না কারন মানসিকভাবে অসুস্থ মানুষ তাদের জ্ঞান থাকে না যে কখন ঘুমাতে হবে আর কখন ঘুমাতে হবে না।মানুষ মানসিক অসুস্থ হয় বেশিরভাগ গভীর দূষচিন্তা করলে,দীর্ঘদনি ডিপ্রেসানের মধ্যে ভুগলে।মানসিক অসুস্থ মানুষ এমনিতে তার ঘুম সময় মত হয় না।
আরো পড়ুনঃ বুক ধড়ফড় করার আটটি কারণ ও করণীয় কি দেখে নিন
ঘুমানোর পরিবেশ কেমন হবে
আপনার ঘুমানোর পরিবেশ যদি ভালো না হয় তাহলে আপনার ঘুম ভালাে হবে না।একদম ফ্রেশ ঘুম হতে হলে নিরিবিলি পরিবেশ লাগবে।যেখানে থাকবে না কোন চেচামেচি হট্টগোল,গাড়ির শব্দ,রাস্তার পাশ্বে বাড়ি,রেল লাইন বা রেল স্টেশনের পাশ্বে এই সমস্ত এলাকয়ি বা এরকম পরিবেশে ঘুমানোর জায়গা থাকলে আপনার ঘুম ঠিক মত হবে না।
আপনার ঘুমে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে।এই রকম যদি আপনার ঘুম প্রতিদিন হয় তাহলে আপনার মানসিক সমস্যা হতে পারে। আবার আপনার মেজাজ খিটমিটে হতে পারে।এই জন্য প্রশান্তির ঘুম ঘুমাতে গেলে আপনার একেবারে নিরিবিলি পরিবেশ লাগবে।তবে আপনার ঘুম ভালো হবে।দেখা যাচ্ছে আপনার ঘুমানো ১-২ ঘন্টা হয়েছে আর আপনাকে ডাকছে তাহলে আপনার ঘুম ঠিক মত হবে না।তাই ঘুমানোর সময় যেন কেউ না ডাকে।
শেষ কথাঃরাতে ঘুম না আসার কারণ
রাতে ঘুম না আসার কারণ,আমরা রাতে ঘুম না আসার কারন সমূহ জানতে পারলাম এই জন্য আমাদেরকে ২৪ ঘন্টার কাজসমূহ সঠিক সময়ে করতে হবে।যেমন খাওয়া দাওয়া বা যে কোন কাজকর্মোর একটা টাইম টেবিল রাখতে হবে।তাহলে আপনার ঘুম ঠিক মত হবে এবং আপনার সাস্থ্য বা মন মানসিকতা ঠিক থাকবে।পোষ্টটি ভালো লাগলে আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন। ইন্সাআল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন।
.jpg)

.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url