কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস,মাতৃভাষা আমাদের প্রাণের
ভাষা এই ভাষা আমরা মায়ের পেটে থেকে শুনতে পায়।শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
এর ইতিহাত,তাৎপর্য,গরুত্ব আরো অন্যন্য বিষয় সমূহ আলোচনা করবো। এই ভাষা আমরা যতদিন
বেঁচে থাকবো ততোদিন আমাদের মুখে থাকবে।
শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মায়ের ভাষা এই ভাষায় কথা বলি।এই
ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়,আমাদের গর্ব,এই ভাষার জন্য কত তরুন প্রাণ ১৯৫২ সালে ঝরে
গেছে।এই ভাষা আমরা কোনদিন ভুলতে পারি না।এই ভাষা আমাদের মায়ের ভাষা এই
ভাষার জন্য অনেকে প্রান দিয়েছে।
পেজ সূচিপত্রঃ কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
-
কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
-
আমরা জানবো শহীদ দিবস কি
-
কিভাবে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল
-
২১ ফেব্রয়ারী ইতিহাস
-
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি
-
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেন পালন করা হয়
-
বাংলাদেশে কিভাবে ২১ ফেব্রয়ারি পালন করা হয়
-
শহীদ মিনার কি
-
বর্তমান প্রজন্মের প্রতি শিক্ষা
-
শেষ কথাঃ কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস,বাংলা ভাষা শুধু আমাদের
কথা বলার মাধ্যম না, এটা আমাদের একটি বাঙ্গালীর জাতির পরিচয়।এই ভাষার জন্য
১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রয়ারী অনেক মানুষ তার মা হারা কেই ছেলে হারা হয়েছে।ভাষার জন্য
এদেশে হাজার হাজার মানুষ তাদের জীবন উৎসর্গ করেছে। এই যে এত জন মানুষ শহীদ হয়েছে
তাদের স্মরনে আজ শহীদ দিবস পালিত হয়।
আরো পড়ুনঃ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন
এই ভাষার জন্য এত জীবনের উৎসর্গ যা পরবর্তীতে ভাষার অধিকার এবং ভাষাকে রক্ষার
প্রতিক হিসেবে স্বীকৃতি পায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।যা এখন পালিত হয় শহীদ দিবস
ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।আমরা এখানে জানবো যে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা দিবস কেন পালন করা হয়।
আমরা জানবো শহীদ দিবস কি
শহীদ দিবস হচ্ছে সেই দিন যে দিন আমরা, ভাষা আন্দোলনের সময় যারা শহীদ হয়েছিল,
তাদের স্মরনে এই দিন পালিত হয়। এই দিনে তরুন ছাত্র জনতা শহদি হয় তাদের মধ্যে
হচ্ছে সালাম,রফিক,বরকত,জব্বার আরো নাম না জানা অনেকে। এই ভাষা আন্দোলনকে লক্ষ করে
আন্দোলনরত ছাত্রদের উপর পুলিশরা অনবরত গুলি চালায় এতে অনেক ছাত্র সেখানে শহীদ হন
আর কিছু পরে মৃত্যের মুখে পতিত হয়ে শহীদ হয়।এ রকম আত্মত্যাগের পর আমরা আমাদের
মাতৃভাষা ছিনিয়ে এনেছি আমাদের দেশ স্বাধীন করে।
কিভাবে ভাষা আন্দোলন হয়েছিল
১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট গঠিত হয়।পাকিস্তানের
অধিকাংশ জনসংখ্যা ছিল পূর্ব বাংলার মানুষ এদের মাতৃভাষা ছিল বাংলাদেশের মানুষের
মায়ের ভাষা মাতৃভাষা বাংলা।কিন্তু এসময় কার পাকিস্তানি সরকার উর্দুভাষাকে রাষ্ট
ভাষা করার সিদ্ধান্ত নেয় কিন্তু এই সিদ্ধান্তটাই ছিল আমাদের ভাষা আন্দোলনের
সূচনা।
এই সিদ্ধান্তটা আমাদের বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনার বিরুদ্ধে,আমাদের মায়ের
ভাষা মাতৃভাষা বাংলার প্রতি অবহেলা।এগুলো বিরুপ প্রতিক্রয়ার জন্য দেশের পূর্ব
বাংলার ছাত্র সমাজ দেশের সাধারন মানুষ উর্দু ভাষা রাষ্ট ভাষা করার বিরুদ্ধে
সোচ্চার হয়ে ওঠে তখন শুরু হয় ভাষা আন্দোলন।
২১ফেব্রয়ারী ইতিহাস
১৯৫২ সালে বাংলাদেশের মাতৃভাষা বাংলা হবে এর দাবিতে আন্দোলন শুরু হয় কিন্তু
তৎকালীন পাকিস্তান সরকার রাষ্ট ভাষা উর্দু করার সিদ্ধান্ত নেয়।এই সময় তখন পূর্ব
বাংলার ছাত্রজনতা এবং সাধারন জনগন বাংলা ভাষা রাষ্ট করার জন্য আন্দোলন শুরু করে।
আরো পড়ুনঃ ইউরোপের কোন দেশে ফ্রি পড়া যায়
এই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের এলাকায় ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে এ
সময় পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালানো শুরু করে। এতে অনেকজন ছাত্রজনতা শহীদ হয়।এই দিন
থেকে আস্ত আস্তে ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষনা হয়ে ৯মাস যুদ্ধ চলতে
থাকে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি
কানাডার দুইজন বাঙ্গালি উদ্যোক্তা হিসেবে একুশে ফেব্রয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা
দিবস হিসেবে ঘোষনার জন্য জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান এর কাছে ১৯৯৮ সালে আবেদন
করেন।পরে অনেক আলোচনা সমালোচনার মুখে ১৯৯৯ সালে ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কের
প্যারিস অধিবেশনে প্রস্তাব উথাপন করা হয়। এতে ১৮৮ দেশের সমর্থন জানালে একুশে
ফব্রয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষনা করা হয়।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কেন পালন করা হয়
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, এটি বাঙ্গালি জাতির অনেক গুরুত্বপূন্য দিন।এই দিন
প্রতিবছর পালন করা হয়।এই দিন অত্যন্ত মর্যাদা পূণ্য দিন এই দিনে ভাষা আন্দোলনের
শহীদদের স্মরন করা হয়।যারা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছে।এটা দিবস আসলে পালন করা হয়
মাতৃভাষার অধিকার রক্ষা করা,হারিয়ে যাওয়া ভাষাগুলোর প্রতি সচেতনতা সৃষ্টি করে।
বহুভাষিক শিক্ষার উন্নয়ন।আমাদের এই ভাষা যেন যুগ যুগ ধরে সবার কাছে স্বরনে থাকে
যে আমাদের মায়ের ভাষা কিভাবে এসেছে।
বাংলাদেশে কিভাবে ২১ ফেব্রয়ারি পালন করা হয়
আমাদের বাংলাদেশে ২১ ফেব্রয়ারি আগের রাত ১২:১ু মিনিটে বাংলাদেশের সব শহীদ মিনারে
ফুল দিয়ে শদ্ধা জানানো হয় হাজারো শহীদের প্রানে।এই রকম আমাদের দেশে প্রতি বছর
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আরো অনেক সংগঠন
ছোট ছোট বাচ্চারা সবাই মিলে শহীদ মিনারে শদ্ধা জানাতে যায়।আবার কতজন যায় খুব ভোরে
ভোরে শহীদ মিনারে যায়।এই দিন সবাই কালো ব্যবচ ধারন করে ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক
বিভিন্ন আলোচনা অনুষ্ঠান হয়।স্কুল কলেজে বিভিন্ন সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
আরো পড়ুনঃ অনলাইনে কাপড়ের ব্যবসা করার নিয়ম
শহীদ মিনার কি
শহীদ মিনার হচ্ছে আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রতিক, যেটাকে স্বরন করে আমরা আমাদের
শহীদ ভাইদের প্রতি বছর স্বরণ করে থাকি।এটা আমাদের শহীদ ভাইদের আত্নত্যাগের
স্মারক,আমাদের বাঙালির জাতির বাংলা ভাষার ্রপ্রতিক,যতদিন রবে এই শহীদ মিনার
তত দিন থাকবে হাজারো ভাইয়ের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ভাষার আন্দোলনের জবিন্ত দলিল।
অনেক মা যাদের ছেলে ভাষার জন্য শহীদ হয়েছিল এই মা যখন মহীদ মিনারের সামনে দিয়ে
যায় তখন তার শহীদ ছেলে কথা মনে পড়ে।এই স্বরণে আমাদের শহীদ মিনার।
বর্তমান প্রজন্মের প্রতি শিক্ষা
বর্তমানে নতুন প্রজন্মদের কাছে আমাদের মায়ের মাতৃভাষার ইতিহাস তুলে ধরতে
হবে।তাদের স্কুলের বই গুলো মধ্যে আমাদের মায়ের ভাষা মাতৃভাষার ইতিহাস,
ভূমিকা,গুরুত্ব জানতে হবে।যেহেতু আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা আমাদের প্রাণের ভাষা আমরা
আমাদের মায়ের পেটে থেকে শুনতে পায় বাংলা ভাষা।এই জন্য ছোট থেকে বড় সবারই জানা
প্রয়োজনআমাদের ভাষার রহস্য এই ভাষা আমাদের গৌরব।
শেষ কথাঃ কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
কেন পালন করা হয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এটার অনেক কিছু আমরা
জানলাম।মাতৃভাষা বিষয়ে আমাদের অবশ্যই জানা দরকার এবং বোঝা দরকার।যে এই ভাষার
উৎপত্তি কোথায় থেকে এসেছে এবং কিভাবে আমরা পেলাম আমাদের মায়ের ভাষা। পোষ্টটি ভালো
লাগলে আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ
নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন। ইন্সাআল্লাহ অনেক
কিছু জানতে পারবেন।
.jpg)

.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url