বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন,ভালােবাসা সব মানুষ ও পশুপাখির মনে থাকে।এটা আল্লাহ প্রদত্ত একটি উপহার যা দ্বারা পৃথীবির সকল প্রাণী একে অপরকে ভালোবাসে।আমরা এখানে জানবো আসলে বিশ্ব ভালােবাসা দিবস কেন এবং এটা কেন মানুষ পালন করে।এখানে বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের সব কিছু আমরা এখানে তুলে ধরবো আপনি এই পোষ্টটি পড়ে এর আসল কথা গুলো জানতে পারবেন।
ভালোবাসা মানুষকে একটি ভালো পর্যায়ে নিয়ে যায়।আবার যে ভালোবাসা সফল হয় না সে
ভালোবাসা মানুষের সুখ শান্তি সব কেড়ে নেয়।ভালোবাসা দিবস এর একটি ইতিহাস আছে যা
আমরা এই পোষ্টটি পড়ে জানতে পারবো।এই দিনে অনেকে আনান্দ করে আবার কেউ কান্না করে ।
পেজ সূচিপত্রঃবিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন,হায়রে ভালোবাসা এই ভালোবাসা মানুষকে উন্নতির উচ্চ শিখরে
নিয়ে যায় আবার সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে দেয়।বাংলাদেশে এই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস
পালিত হয় বিশ্বের অন্যন্য দেশের মত।এই দিন বাজারে শুধু ফুল আর ফুল এই দিনে বাব মা
থেকে শুরু করে প্রেমিক প্র্রেমিকা একে অপরকে ফুল দিয়ে ভালোবাসার আত্মপ্রকাশ করে
থাকে।
আরো পড়ুনঃ রাতে ঘুম না আসার কারণ
এই দিনে পার্ক হোটেল রেস্তরা দারুন ভাবে সাজানো হয়।এবং দেশের শহর এলাকায়
বিভিন্ন ধরনের লাইটিং দিয়ে সাজ সজ্জা করা হয়।প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে এক
অন্য রকম সাজগোজ ভাব মনে হয়,যেন একে অপরকে দেখতে থাকে এবং মনের কথাগুলো একে অপরকে
জানানো হয় এই দিনে এর মধ্যে কারো মন ভাঙ্গে আবার কারো মনে সুখের জুয়ার ভাসে মন
যেন এক সমুদ্র ঢেউয়ের মধ্যে খেলা করে।
ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস
ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস বহু প্রাচীন এর নাম করন করা হয় সেন্ট ভ্যালেন্টাইন, এই
নামে একজন খ্রিস্টান ধর্মযাজকের নাম থেকে।রোমান সম্রাট এর শাসনামলে সময় তার
সৈনিকদের বিয়ে নিষিদ্ধ করেছিলেন যার কারন এদের বিয়ে দিলে তারা যুদ্ধে মনোযোগ দিতে
পারবে না।কিন্তু এই সময় সেন্ট ভ্যালেন্টাইন গোপনে তরুন তরুনীদের বিয়ে
দিতেন।কিন্তু এই গোপন তথ্য রোমান সম্রাট জেনে ফেলেন এবং সেন্ট ভ্যালেন্টাইন কে
কারা বন্দি করেন।
আর পরে তাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়।কথিত আছে মৃত্যদন্ডের আগে কারাগারে এক তরুণীর
কাছে চিঠি লিখেছিলেন যার শেষে লেখা ছিল "FromYour Valentine" এখান থেকে ভালোবাসা
দিবসের সূচনা হয়েছিল।এখান থেকে শুরু হওয়ার পর থেকে আস্তে আস্তে গোটা বিশ্বের
মধ্যে এখন পালিত হয় বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।এই দিন ফুলের দাম বেড়ে যায় তবুও প্রেমিক
প্রেমিকা তাদের মনের বাসনা প্রকাশ করার জন্য তার প্রিয়তমা কে উপহার দেয়।
ভালোবাসা দিবস কেন গুরুত্বপূণ্য
এই দিনটি আসলে অনেক গুরুত্বপূণ্য কারন এই দিনে সব মানুষের ভালোবাসা প্রকাশ পায় কে
কাকে ভালোবাসে এবং কত ভালোবাসে। এই দিন আসার জন্য অনেকে বুকের মধ্যে চেপে রাখে
তার মনের লুকায়িত কথা যা সে তার প্রিয়তমাকেই শুধু বলবে আর কাউকে জানাবে না।এই দিন
এতটাই গুরুত্বর্পণ্য যে অনেকে এক বছর ধরে অপেক্ষায় থাকে। হায়রে আমার ভালোবাসার
মনের মানুষকে কখন আমার মনের কথা বলবো পানির পিপাসার মতো তৃষনার্থ থাকে।
আরো পড়ুনঃ
স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার কারণ ইসলাম
মন শুধু বলতে ইচ্ছা করে কিন্তু বলতে পারে না।এই দিন প্রিয়তমার জন্য আগে থেকে
প্রেমিক প্রেমিকা পরিকল্পনা করে রাখে প্রেমিক কোন পোশাক পরবে আর প্রেমিকা কেমন
কাপড় পরবে না কি শাড়ি পড়বে।কারন এই দিনে মনের ভাব প্রকাশ করা হবে।এই জন্য নিজেকে
একটু আলোর মত লাইটিং দিয়ে সাজাতে হবে।ছেলে মেয়েরা একদিন আগে থেকে ফুল কিনে না ফুল
যদি তার সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলে এই জন্য ভালোবাসা প্রকাশ যেমন হবে টাটকা তেমনি ফুল
হবে টাটকা।আর মন থাকবে ফ্রেশ যেন কোমল ফুলের ছোয়া।
ভালোবাসা দিবসের গুরুত্ব এত কেন
ভালোবাসার গুরুত্ব এত যে বলে শেষ করা যাবে না।আসলে যারা ভালোবাসে তারাই বুঝে
ভালোবাসা দিবসের গুরুত্ব কি এবং কত।এই পোষ্টটি যারা পড়ছেন তারা অবশ্যই কাউকে না
কাউকে ভালোবাসেন এই জন্য এই ভালোবাসার গুরুত্ব বুঝবেন।এই দিনকে পাওয়ার জন্য এক
মাস আগে থেকে প্রেমিক প্রেমিকা প্রস্তুতি নেয় যে এই দিনকে কেমন করে বরন করা হবে
কি পোশাক পরা হবে।
কেমন ভাবে সাজতে হবে।আর ছেলেরা ও তাদের মনের ভাব প্রকাশের জন্য একটু স্মাট হয়ে
আসে কেউ পরে শুটবুট আবার কেউ পরে পান্জাবী।এই দিনটি ভালোবাসার সম্পর্ক আরো দৃড়
হয়, আবার কারো প্রপোস করা প্র্রেমিকার কাছে গ্রহন হয় না তখন সম্পর্ক ছিন্ন হয়।এই
সময় মানসিক সাস্থ্য উন্নতি হয়,মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত হয়,ভালোবাসার সহানুভূতি আরো
বেড়ে যায়।যদি প্রেমিক এর প্রোপস সফল হয়।
কোন দেশে কেমন এই দিবস পালন করা হয়
ভালোবাসা দিবস বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন কিছু উপহার দিয়ে উদযাপন করা হয়।বাংলাদেশের
কথাই আগে বলি বাংলাদেশে প্রেমিক প্রেমিকা সুন্দর সুন্দর গোলাপ সহ আরো বিভিন্ন
ধরনের ফুল দিয়ে,কেক ,সুন্দর ছবি,বা প্রেমিকার পছন্দনীয় জিনিস উপহার দিয়ে এই দিনটি
পালন করে থাকে। আবার যুক্তরাষ্ট,ইউরোপ,এই দেশে কার্ড,চকলেট,ফুল দিয়ে উদযাপন করা
হয়।
আরো পড়ুনঃ
সংসারী মেয়ে চেনার উপায়
জাপানে নারীরা পুরুষদের চকলেট উপহার দেয়।গোটা বিশ্বের মানুষ এই দিনটি অনেক
আনান্দের সাথে পালন করে।তবে বাংলাদেশে এই মাসে বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফুল
বিক্রি হয়।এ সময় শহর গ্রামে চারদিকে যেন এক আনান্দমুখর পরিবেশ দেখা যায়।বিশেষ করে
তরুন তরুনীদের এই দিনে অনেক মজা করে,ফাস্টফুড,হোটেল রেস্তোরা,পার্ক লেকের ধার আরো
বন্ধু বান্ধব এর বাড়িতে সবাই একত্রিত হয়ে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করে।
এই মাসের সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দিবস পালন
এই মাসে মাস জুড়ে ভালোবাসার আমেজ দেখা যায়।এ মাসের জন্য বিশেষ করে তরুন তরুনীদের
ভালোবাসার আমেজ দেখা যায়।বতর্মানে আগের মত নাই এখন ছেলে মেয়েরা নিজেরা তার জীবন
সঙ্গী খুজে বিয়ে করে নিচ্ছে,চলুন তাহলে দেখা যাক সপ্তাহে কি কি দিবস পালন করা হয়।
- রোজ ডে
- প্রোপস ডে
- চকলেট ডে
- টিডি ডে
- প্রোমিস ডে
- কিস ডে
- ভালোবাসা দিবস।
এই দিবস কিছু বাংলাদেশে আর কিছু বিভিন্ন দেশে পালন করা হয়ে থাকে।এই মাসটাই হচ্ছে
তরুনদের জন্য আনান্দের মাস বিভিন্ন উৎসবের মাধ্যমে পালন করা হয়।
এই দিবসে কে কাকে ভালোবাসা প্রোপস করে দেখি
এই দিনে বিশেষ করে প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য,এ ছাড়া আরো অনেক কে প্রোপস করা
যায়।এখানে যাদের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা যায় তা হচ্ছে, বাব মায়ের প্রতি,ভাই
বোনের প্রতি.কেউ শিক্ষকের প্রতি আবার কেউ বন্ধুদের প্রতি। এই দিনে এই ধরনের মনের
মানুষকে ভালোবাসা প্রকাশ করা হয়। এ সময় আবার ফুলের দাম কিছুটা বেড়ে যায়।দাম বাড়লে
ও এ মাসে ফুলের ব্যবসা ভালো হয়।যারা ফুল বিক্রি করেন তারা এ মাসের অপেক্ষায়
থাকেন।
শেষ কথাঃ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন
বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কেন,বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বিশ্বের প্রায় সব দেশে প্রতি বছর
অনেক আনন্দরে সাথে পালিত হয়ে থাকে।এই দিনে একে অপরের প্রতি ভালোবাসার মনের আবেগ
প্রকাশ করে থাকে।এই দিনে তরুন তরুনীদের মন মানসিকতা আনান্দে উৎফুল্ল হয়।ভালোবাসা
দিবস একটি বিশেষ দিন, যে দিনে মানুষ তার মনের ভালোবাসা প্রকাশ করে।এই দিনে
ভালোবাসার ভিত্তি মজবুত হয়।
পোষ্টটি ভালো লাগলে আমার আরো অনেক পোষ্ট আছে পড়তে পারেন।এই পোষ্টটি পড়ার জন্য
অসংখ্য ধন্যবাদ নিয়মিত ইকরালাইফ ডট কম এ সার্চ করুন এবং নতুন নতুন পোষ্ট পড়ুন।
ইন্সাআল্লাহ অনেক কিছু জানতে পারবেন।
.jpg)

.jpg)
'https://www.ekralife.com/p/terms.html'
comment url